The reason for the stroke?-স্ট্রোকের কারণ?-স্ট্রোক!এখন এই কথাটি শুনলে আমাদের অনেকেরই বুক ধরফর করে ওঠে!

যা কিছু কাল আগেও ছিল না । হয়ত পরিবার অথবা আশেপাশের অনেককেই আমরা দেখেছি যারা পুরোপুরি সুস্থই ছিল কিন্তু

হঠাত করেই কিভাবে কি হল সে এখন পুরোপুরি অচল হয়ে মৃত্যুর জন্য দিন গুনছে । এখন কথা হচ্ছে আসলেই কি স্ট্রোক

মানুষের হঠাত করেই হয়? নাকি এটা দীর্ঘদিন আমাদের বাস করে,শক্তি সঞ্চয় করে নিজ রূপে প্রকাশিত হয়? আসলে এটি হুট

করে একদিনে হয় না!আমাদের এমন অনেকেরই হয় যে,অল্প কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টার জন্য হাত বা পা থেমে থেমে অবশ

অবশ লাগছে, কথা জড়িয়ে যাচ্ছে, চোখে ঝাপসা দেখা বা অন্ধকার দেখা ইত্যাদি।আবার একা একাই ঠিকও হয়ে যাচ্ছে ।এই

অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে ট্রানসিয়েন্ট ইসকেমিক অ্যাটাক । অনেকে বলেন মিনি স্ট্রোক। যদিও এতে স্ট্রোক বা

পক্ষাঘাতের মতো দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা সৃষ্টি হয় না। কিন্তু এই মিনি স্ট্রোক একটি সতর্কবার্তা। কেননা, প্রতি তিনজন মিনি

স্ট্রোকের রোগীর মধ্যে অন্তত একজন অদূর ভবিষ্যতে পূর্ণাঙ্গ স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারেন ।তাই আগেই সতর্পাক হয়ে,চিকিৎসা

নিয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানো উচিৎ ।

 

The reason for the stroke?-স্ট্রোকের কারণ?এবং সমাধান।

 

বোঝার উপায়ঃ

হঠাৎই অনুভুত হবে এমন, এক হাত, এক পা, শরীরের এক পাশ ইত্যাদি অবশ বা দুর্বল অনুভব করা ।

  •  কথা জড়িয়ে যেতে পারে হঠাৎ করেই ।
  • চোখে অন্ধকার বা ঝাপসা দেখা ।
  • তীব্র মাথাব্যথা অনুভুত হবে ।
  •  অচেতন হয়ে যাওয়া বা চলাফেরার ভারসাম্যহীনতা । ইত্যাদি ।

ওপরের উল্লেখিত কারণ গুলি কিছু সময়ের জন্য থাকার পর আবার নিজে নিজেই সেরে ওঠা মিনি স্ট্রোকের লক্ষণ । বেশির ভাগ

ক্ষেত্রে এক ঘণ্টার মধ্যেই রোগী আবার ভালো বোধ করেন।

 

স্ট্রোকের হওয়ার কারণঃ

মানুষের  যেসব কারণে সাধারণত স্ট্রোক হয়ে থাকে, সেসবই এর জন্য দায়ী।মস্তিষ্কে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও রক্তপ্রবাহ কমে

যাওয়া বা রক্ত জমাট বেঁধে অল্প কিছুক্ষণ পর আবার রক্তপ্রবাহ সচল হওয়ার কারণে মিনি স্ট্রোক হয় । পারিবারিক ইতিহাস, উচ্চ

রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরল, ধূমপান, হৃদ্‌রোগ ইত্যাদি কারণে এটা হয়ে থাকে ।

 

বার্তাঃ

সাধারণত এমন কিছু হলে আমরা একে খুবই সাধারণ ঘটনা বলে উড়িয়ে দেই । ডাক্তারের কাছে যাই না বা সেভাবে ভাবিও না কিন্তু

এভাবেই যখন স্ট্রোক মহামারী আকারে এক সময় আমাদের সামনে এসে হাজির হয় তখন স্বাভাবিকভাবেই পরে যাই মহা বিপদে

আর তখন আর সেই আগের সুস্থ সুন্দর জীবন টাও আর ফিরে পাওয়া যায় না ।

তাই এমন সমস্যা দেখা দিলেই সচেতন হনঃ

  •  ধূমপান করবেন না ।
  •  লবণ খাওয়া কমান। চর্বি ও তেলযুক্ত খাবার পরিহার করুন । যথেষ্ট সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খান ।
  • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করুন।
  •  ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন ।
  •  ওজন কমান, নিয়মিত হাঁটুন ।
  • চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিন ।

ধন্যবাদ সবাইকে।