লেবুর যত পুষ্টিগত গুণাগুণ-

প্রতি ১০০ গ্রাম লেবুতে যা থাকে, শক্তি ১২১ কিলোজুল ( ২৯ কিলক্যালরি), শর্করা ৯.৩২ গ্রাম, চিনি ২.৫ গ্রাম, আশ ২.৮ গ্রাম,

ফ্যাট বা চর্বি ০.৩ গ্রাম, আমিষ ১.১ গ্রাম, ভিটামিন বি-১ ( থায়মিন) ০.০৪ মি. গ্রাম ( ৩ %), ভিটামিন বি-২ ( রাইবোফ্ল্যাভিন) ০.০২

মি. গ্রাম ( ২ %), ভিটামিন বি-৩( নিয়াচিন) ০.১ মি. গ্রাম ( ১ %), ভিটামিন বি-৫ ( পেন্থথেনিক এসিড) ০.১৯ মি. গ্রাম ( ৪ %)

,ভিটামিন বি-৬ ০.০৮ মি. গ্রাম ( ৬ %), ভিটামিন বি-৯ ১১ মাইক্রো গ্রাম ( ৩ %), ক্লোরিন ৫.১ মি. গ্রাম ( ১ %), ভিটামিন সি ৫৩

মি. গ্রাম ( ৬৪ %), ক্যালসিয়াম ২৬ মি. গ্রাম ( ৩ %),  আয়রন ০.৬ মি. গ্রাম ( ৫ %), ম্যাগনেসিয়াম ৮ মি. গ্রাম ( ২ %),

ম্যাংগানিজ ০.০৩ মি. গ্রাম ( ১ %), ফসফরাস ১৬ মি. গ্রাম ( ২ %), পটাশিয়াম ১৩৮ মি. গ্রাম(৩ %), জিঙ্ক ০.০৬ মি. গ্রাম(১%)।

 

লেবুর যত প্রাকৃতিক গুণাগুণ ও উপকারিতা-

১. লেবু আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে ।

২. স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে যে, তার নাম লেবু ।

৩. এটি রক্তচাপ ( ব্লাড পেসার) কমায় আর রক্তে এইচ ডি এল ( ভালো কলেস্তরল) বাড়ায় ।

৪. লেবু কোলন, প্রোস্টেট এবং ব্রেস্ত ক্যান্সার প্রতিরোধে ব্যাপক ভুমিকা পালন করে। কোষের উল্টাপাল্টা পরিপাকে বাধা দেয়,

যেটি মূলত ক্যান্সার এর জন্যে দায়ী। এটি কোষের নাইট্রোসো এমিন প্রস্তুতিতে বাধা দেয় ।

৫. সংক্রমনের বিরুদ্ধে লেবু কার্যকর ভুমিকা পালন করে। এটি রক্তের শ্বেতকনিকা বৃদ্ধি করে যা জীবাণু ধ্বংস করে । এছাড়া

এন্টিবডি উৎপাদনে সহায়তা করে ।

৬. সামান্য গরম পানিতে একটু লেবুর রস, কি যে উপকারি!!! পরিপাক প্রক্রিয়াকে কার্যকর করে আর লিভারকে রাখে সতেজ ।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় কার্যকর ।

৭. লেবুর খোসা শুকিয়ে গুড়ো করে রাখতে পারেন। আর ব্যবহার করতে পারেন গোসল করার সময়। শরীরকে করবে ঠাণ্ডা ,

আর আরাম অনুভব করবেন ব্যাপক । এছাড়া এ গুড়ো মাথাব্যথা দূর করবে।

৮. ব্রণে লেবুর রস দিলে ব্রণ দূরীভূত হবে আর নতুন ব্রণ উঠতে বাধা প্রধান করবে ।

৯. লেবু হচ্ছে প্রাকৃতিক ত্বক পরিস্কারকারি । এটি ত্বক কালো হওয়ার জন্যে দায়ী মেলানিন কমায় এবং মেলানিন উৎপাদনে

ব্যাঘাত ঘটায় । তাই আপনার ত্বক থাকবে সজীব আর উজ্জ্বল ।

১০. সাধারন ঠাণ্ডা প্রতিরোধে এটি অনেক কার্যকর ।

 

লেবুর আরো কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা

 

১. মূত্রনালির প্রদাহ এবং গনেরিয়া প্রতিরোধে লেবুর শক্তি অনেক ।

২. কিছু কিছু পোকামাকড়ের কামরের ব্যাথা ও বিষ মুক্ত করতে লেবুর রস ব্যবহার করা হয় ।

৩. সামুদ্রিক খাবার ও মাংসে জীবাণু দূর করতে লেবুর রস ব্যবহার করা হয় ।

৪. যারা মোটা তারা প্রতিদিন সকালে লেবুর রসের সাথে একটু লবণ মিশিয়ে খেয়েই দেখুন না !!! এটি আপনার কলেস্তরল

লেভেল এবং ওজোন দুটোই কমিয়ে ফেলবে ।

৫. ডায়রিয়া হলে লেবুর শরবত ডি- হাইদ্রেশান রোধ করে ।

৬. এক চামচ ঘন লেবুর রস প্রতিদিন খেলে এজমা দূর হয়ে যাবে ।

 

উপরে লেবু নামক টক কিন্তু দারুন উপকারি একটি ফলের পুষ্টি গুনাগুন এবং স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আলোকপাত করা হল।

এর হয়ত অনেক গুলোই আমরা জানি,আবার কিছু আছে যেগুলো জানতাম না । তাই আশা করি এই পোস্টটি অনেকেরই

উপকারে আসবে । সাথে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ ।