যৌন স্বাস্থ্যের জন্য ওষুধের হুমকি সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন !-একজন মানুষকে যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনার বা একজন মানুষের সুখি জীবন যাপনের জন্য কয়টি জিনিস বা বিষয় প্রয়োজন?তাহলে তিনি কয়েকটি বিষয়ের সাথে এই কথাটি যোগ করতে কখনোই ভুলবেন না,সুখি দাম্পত্য জীবন । হ্যা,এই বিষয়টি আমাদের জীবনকে সুখি করতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে । কারো জীবনে এই বিষয়টি স্বাভাবিক না থাকলে অসুখি তো বটেই,ঘটে যেতে পারে বা যায় অনেক বড় ধরনের সব দূর্ঘটনাও । তাই এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ন এতে কোনো সন্দেহ নেই।

আমাদের মধ্যে যাদের এই জৈবীক সমস্যাটি রয়েছে তাদের বেশির ভাগই ভোগেন মানসিক সমস্যায় । মানসিক সমস্যায়  ভোগাটাও খুব বেশি অস্বাভাবিক কিছু নয় ।

আর এখান থেকেই নিজেকে সামর্থবান করে তুলতে আমরা সাহায্য নেই বিভিন্ন ঔষধের অথবা বিভিন্ন হাতুড়ে ডাক্তারদের । যা খুবই মারাত্মক একটি সিদ্ধান্ত । কারণ এই সব ঔষধ অল্প কিছু সময়ের জন্য আমাদের স্বাভাবিক রাখলেও তা দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমাধান হতে পারে না বা হয়ও না । আর বিভিন্ন ধরনের পার্শপ্রতিক্রিয়া তো আছেই । যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি সাধন করে । এর পার্শপ্রতিক্রিয়া খুবই ব্যপক তাই হুজুগে পড়ে এগুলো সেবন করতে যাবেন না ।

তাই আজ আমরা জানব, যৌন স্বাস্থ্যের জন্য ওষুধের হুমকি সম্পর্কে । তাহলে চলুন শুরু করা যাক –

 

যৌন স্বাস্থ্যের জন্য ওষুধের হুমকি সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন !

 

শারিরীক সমস্যা-

দীর্ঘক্ষণ মিলনের জন্য যদি আপনি বিভিন্ন ধরনের ঔষধ সেবন করতে থাকেন তাহলে আপনার অনেক ধরনের শারিরীক সমস্যা দেখা দিতে পারে যেমন মেদ বেড়ে যাওয়া,কিডনিতে সমস্যা দেখা দেওয়া,লিঙ্গ এক সময়ে গিয়ে পুরোপুরি বিকল হয়ে যাওয়া, মাথা যন্ত্রণা‚ লিভারের গোলমাল‚ চোখের দৃষ্ট ঝাপসা হওয়া‚ ফেসিয়াল ফ্ল্যাশিং‚ চোখে নীল আলো দেখা ইত্যাদি । কিছু ক্ষেত্রে এসব ঔষধ সেবনের কারণে হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে।

তথ্যসূত্র বা রেফারেন্স হিসেবে এখানে জাতীয় পর্যায়ের একটি নিউজ এর লিংক দেওয়া হল ।

মানসিক সমস্যা-

যখন আপনার যৌন জীবন অস্বাভাবিক হয়ে পড়বে তখন স্বাভাবিক ভাবেই আপনি মানসিক সমস্যা পরে যাবেন । আর যখন বড় কোনো রোগ আপনার শরীরে এসে বাসা বাধবে তখন আপনার অবস্থা পাগলের চেয়ে কিছু কম হবে না । তাই অবশ্যই এসব যৌন বর্ধক ঔষধ থেকে দূরে থকবেন ।

মন্ত্র-ষরযন্ত্র এবং কুসংস্কার-

অনেকেই আপনাকে পরামর্শ দিতে পারে যৌন মিলনের আগে বিভিন্ন ধরনের মন্ত্র পড়ে নিতে । এতে আসলে কোনো লাভই হয় না । এগুলো কোনো মতেই বিজ্ঞান সম্মত নয় । আর এগুলো ধর্মীয়ভাবেও নিষিদ্ধ । তাই যদি এমন কেউ উপদেশ দেয় তবে তার কাছ থেকে দূরে থাকুন আর তিনি যদি আপনার ভাল বন্ধু হয়ে থাকে তবে তাকেও বিষয়টি বোঝান ।

তাহলে কি করবেন ?

যদি এই সমস্যায় পড়েই যান তবে এইসব হাতুড়ে ডাক্তার,ঔষধ,মন্ত্র এসব ছেড়ে একজন ভাল রেজিস্ট্রারেড ডাক্তারের কাছে যান এবং পরামর্শ নিন । এটিই একমাত্র গ্রহনযোগ্য সমাধান । তিনি যদি পরামর্শ দেন কোনো ওষধ সেবনের তবেই আপনি তা ব্যবহার করতে পারেন । তাছাড়া যদি অন্য কোনো সমাধান দেন (বিভিন্ন ধরনের শারিরীক ব্যায়াম,পুষ্টিকর খাবার দাবার ইত্যাদি)তবে সেভাবেই চলবেন । আশা করি সমস্যা দূর হয়ে যাবে ।