জন্মনিরোধক পিলের কিছু বিপদ যা না জানলেই নয়

জন্মনিরোধক পিলের কিছু বিপদ যা না জানলেই নয়- আমরা অনেকেই অনাকাঙ্খিত গর্ভ রোধ করার জন্য জন্ম নিরোধক বিভিন্ন পিল খেয়ে থাকি । এটি মূলত নারীদেরকে খাওয়ানো হয় । এটা যে শুধু বিবাহিত দমপত্তিরাই করে থাকেন এমন নয় । আজকাল হর হামেশাই আবেগের বসে নারী পুরুষ মিলিত হয়ে থাকেন । আর সব সময় বা ঠিক মুহূর্তে কন্ডম অনেক সময়েই জোগাড় করা সম্ভব হয় না । সেক্ষেত্রে সবাই এই জন্মনিরোধক পিলকেই একমাত্র অবলম্বন হিসেবে বেছে নেন । এর অনেক উপকারী দিক রয়েছে বিশেষত অনাকাঙ্খিত গর্ভ ধারণ করে বিপাকে পড়ার হাত থেকে বাচা যায় তবে এর কিছু পার্শপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে । অনবরত এই পিল ব্যবহার করতে থাকলে ঘটতে পারে অনেক বড় ধরনের সমস্যাও । এমনকি সেই নারী জন্মদানে অক্ষমও হয়ে যেতে পারেন । তাই আজ আমরা আলোচনা করব এর ক্ষতিকর দিক গুলো নিয়ে এবং কিভাবে এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থেকে সুন্দর দাম্পত্য জীবন উপভোগ করা যায় ।

 

গর্ভনিরোধক পিল আসলে কি?

এটি একটি ঔষধ যা নারী পুরুষের অরক্ষিত যৌন মিলনের পর অপরিকল্পিত গর্ভরোধ করে থাকে । যখন কোনো নারী পুরুষ অরক্ষিত ভাবে যৌন মিলন করে তখন স্বাভাবিক ভাবেই শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু একত্রিত হয় । এরপর তা নিষিক্ত হয়ে শিশু জন্মের প্রথম ধাপে পা রাখে । আর এই জন্ম নিরোধক পিল গুলি সেই নিষিক্ত ডিম্বানুকেই নষ্ট করে ফেলে । ফলে আর গর্ভ সঞ্চার হতে পারে না ।

 

গর্ভনিরোধক পিলের অসুবিধাসমূহ

  1.  সব চেয়ে বড় সমস্য হচ্ছে অনেক সময় দেখা যায় পিল খাওয়ার পরও গর্ভ সঞ্চার হয়ে গিয়েছে ! তাই বলব, প্রতিশেধকের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম ।
  2.  দীর্ঘ্য দিন সেবন করলে চর্ম ও যৌন রোগ দেখা দিতে পারে ।
  3.  এই পিল খেয়ে অনেকের তীব্র বমি বমি ভাব হয় ।
  4.  স্তনে এবং মাথায় তীব্র ব্যথা হতে পারে ।
  5.  শরীরের ওজন অস্বাভাবিক হারে বেড়ে জেতে পারে ।
  6.  মাসিকে অনিয়ম হতে পারে ।
  7.  পরবর্তীতে গর্ভ ধারণেও সমস্যা দেখা দিতে পারে ।

 

এখন অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে স্বল্পকালীন গর্ভ রোধের জন্য কি করব বা কি করা যেতে পারে । এ ক্ষেত্রে আমার পরামর্শ দুটি । প্রথমত, আপনি একজন অভিজ্ঞ গাইনোকলজিস্টের স্বরনাপন্ন হতে পারেন । দ্বিতীয়ত, নিয়মিত কন্ডম ব্যবহারের চেষ্টা করুন । আর যদি কোনো কারণে উল্টো পাল্টা কিছু ঘটেই যায় তবে একটি পিল খেয়ে নিতে পারেন । তবে এটাকে নিয়মিত বা অভ্যেসে পরিণত করে ফেলবেন না ।